লকডাউনে অসহায়দের সহায় হয়ে উঠেছে হোপ

লকডাউনে অসহায়দের সহায় হয়ে উঠেছে হোপ

জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মোট ১৪৮৭ টি পরিবারের হাতে হোপ পৌঁছে দিয়েছে খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেট, ত্রিপল, স্যানিটারি ন্যাপকিন, মাস্ক, ঔষধ, খাতা, কলম এবং রমজানের ইফতার সামগ্রী। ভিন রাজ্যে আটকে পড়া কিছু মানুষকে বাড়ি ফিরিয়েছে হোপ।
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ সারা বিশ্ব যখন করোনা মারণব্যাধির করালগ্রাসে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত, পরিযায়ী শ্রমিকদের রাস্তাতেই যখন কাটছে রাত কাটছে দিন , দক্ষিনবঙ্গ যখন আম্ফানের দাপটে দিশেহারা, সাথে মাহে রমজানের শুভাগমন, ঠিক তখনই বঙ্গজননীর ঠিকা নিয়ে বাংলার বুকে, দেশের নানা প্রান্তে পাঠরত বঙ্গসন্তানদের হার্দিক প্রয়াসে HOPE (Helping Organisation For Public Easement) এর আবির্ভাব। HOPE এর সম্পাদক আবুবাক্কার সিদ্দিক ও সভাপতি সিলন শেখ এর নেতৃত্বে শতাধিক সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পশ্চিমবঙ্গের মোট ১২ টি জেলায় (দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদীয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুর) এখনো পর্যন্ত ৭,৪০০ মানুষের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মোট ১৪৮৭ টি পরিবারের হাতে হোপ পৌঁছে দিয়েছে খাদ্যদ্রব্যের প্যাকেট, ত্রিপল, স্যানিটারি ন্যাপকিন, মাস্ক, ঔষধ, খাতা, কলম এবং রমজানের ইফতার সামগ্রী। ভিন রাজ্যে আটকে পড়া কিছু মানুষকে বাড়ি ফিরিয়েছে হোপ। “রক্তদান মহৎ দান, রক্তদান জীবন দান” একথা মাথায় রেখে হোপের সদস্যরাএই অচল পরিস্থিতিতেও বহু মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দান করেছেন। হোপের কর্মকান্ড ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনলাইনে অনেকেই আর্থিক সাহায্য করে সংগঠনের পাশে দাঁড়িয়েছেন। মাত্র কয়েক মাসেই অনলাইনেই ৩,৫০,০০০ টাকা সংগ্রহ করেছে হোপ পরিবার। সংগঠনের সম্পাদক সিদ্দিক মহাশয় ভবিষ্যতে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, স্কলারশিপ বিতরণ, ব্লাড ব্যাংক গঠন করার অঙ্গীকার করেছেন। এছাড়াও তিনি সকল সদস্য/সদস্যাকে পাশে থাকার জন্য আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন এবং হোপ পরিবারের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে আরো বেশি পরিমাণে সামাজিক কাজ করে যাওয়ার জন্য সকলের নিকট দোয়া ও আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
এই প্রতিবেদন শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

CAPTCHA